মৌলভীবাজারের
শ্রীমঙ্গলের ডলুছড়ায় ত্রিপুরা আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর পৈতৃক ও ভোগদখলীয় ভূমিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ
করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের
পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম
মৌলভীবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি (বুধবার) অভিযোগকারী প্রশাসনের
বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ
সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩ নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বালিশিরা
মৌজার দাগ নং ৫১৭, জেএল নং ৭১, ব্লক নং ৩, খতিয়ান নং ৩২৬ ও ৪০১-এর অন্তর্ভুক্ত ভূমিতে
যুগ যুগ ধরে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও জীবিকা নির্বাহ করে
আসছেন।
ভুক্তভোগী
আদিবাসীদের দাবি, গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ইং (বুধবার) সকাল আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে রুহিন
মিয়া (পিতা- ছফেদ মিয়া) ও ছফেদ মিয়া (পিতা- মৃত ধনাই মিয়া), উভয়ই শ্রীমঙ্গল পৌরসভার
ছফেদ মিয়া রোড, শ্যামলী আবাসিক, এলাকার বাসিন্দা—সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন সিএনজি
ও পিকআপ গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে এসে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীদের সদ্য নির্মিত একটি টুরিস্ট শপ ভাঙচুর করে এবং নির্মাণসামগ্রী গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পাশাপাশি ভূমির সীমানা পিলার উপড়ে ফেলে নিয়ে যায়। এ সময় দোকান ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করতে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী
হিসেবে ইন্দ্র মোহন দেববর্মা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে লিখিত
অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে
অভিযুক্ত রুহিন মিয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও
তাকে পাওয়া যায়নি।
শ্রীমঙ্গল
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মো. জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ এখনো
পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন