রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সর্বমিত্র চাকমার

 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। আজ সোমবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমাকে নির্বাচিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, অনেক প্রত্যাশা নিয়েই নির্বাচিত করেছে। পুরো ক্যাম্পাসটাকে নিরাপদ করার উদ্দেশ্যে দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকে ক্যাম্পাসে রেজিস্টার্ড রিকশা চালুকরণ, ক্যাম্পাসে যানবাহন সীমিতকরণসহ এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রস্তাব প্রশাসনে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ ইস্যু সেন্ট্রাল ফিল্ড, সেখানে সিসি ক্যামেরা পর্যন্ত নেই, নিরাপত্তা তো দূর! নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা থেকে শুরু করে মোবাইল-মানি ব্যাগ চুরি-সাইকেল চুরিসহ প্রায় বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও লেখেন, এদিকে ফিমেল স্টুডেন্টরা অভিযোগ জানায়, বহিরাগতদের জন্য তারা মাঠে খেলতে পারে না, হেনস্তার শিকার হয়। ডিএমসি সংলগ্ন দেয়াল সংস্কারের কাজের ফাইল প্রশাসন থেকে ফিরে আসে, এদিকে ওই দেয়াল টপকিয়ে ঢুকে বহিরাগতরা।

কিশোরদের কানে ধরিয়ে ওঠবস করানোর বিষয়ে তিনি বলেন, কানে ধরিয়ে ওঠবস করানোর সময়টা ছিল গতমাসে, সেসময় চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা অত্যাধিক বেড়ে যায়, আমার পন্থা ভুল হলেও প্রশাসনের স্থবিরতাসহ বিভিন্ন কারণে আমার মনে হয়েছে এ কঠোরতা ছাড়া বহিরাগত দমন করে সেন্ট্রাল ফিল্ডে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব নয়। আমার ভাবনা চিন্তায় স্রেফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা। আমি বিভিন্ন জায়গায় হাত দিয়েছি, একা। চেষ্টা করেছি সমাধানে, নিজের দায়িত্বের বাইরে গিয়েও।

সর্বমিত্র চাকমা বলেন, কিন্তু, যত যাই হোক, আইন তো আইনই। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আইনের ঊর্ধ্বেও যেতে হয়েছে পরিস্থিতি মোকাবিলায়-নিরাপত্তা বিধানে। যা আমার ব্যক্তিগত জীবন, মানসিক অবস্থা বিষিয়ে তুলেছে। আমার আর কন্টিনিউ করার সক্ষমতা নেই। আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারো প্রতি অভিমানবশত বা প্ররোচিত হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিইনি।

সন্ধ্যায় কয়েকজন কিশোরকে কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ফিল্ডে (কেন্দ্রীয় মাঠে) খেলতে আসা একদল কিশোর নিজেরাই কানে ধরে ওঠবস করছে। এ সময় হাতে লাঠি নিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন সর্বমিত্র চাকমা।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক নেটিজেন ভিডিওটি শেয়ার করে সর্বমিত্র চাকমার কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এদিকে ফেসবুকে দেয়া আরেক পোস্টে কয়েকজন কিশোরকে কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর ঘটনায় নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চান সর্বমিত্র চাকমা।

ধানের শীষের সমর্থনে মারমা ঐক্য পরিষদের নির্বাচনী পথসভা

 


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়ার সমর্থনে খাগড়াছড়িতে পথসভা করেছেন মারমা ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মী সমর্থকেরা। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের সরকারি কলেজ মাঠ থেকে এ পথসভা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এইদিন দুপুরে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে বিশাল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে মারমা জাতিগোষ্ঠীর বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যোগ দেন।

পথসভায় ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভুঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়নের কাজ করতে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।

ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, মারমা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করবে। বিশেষত যারা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান করার কথা বলেছেন বিএনপির এই প্রার্থী।

পথসভায় খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহসভাপতি কংচাইরী মাস্টারের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিনাত বিথী, সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার এবং যুগ্ম-সম্পাদক মোশাররফ হোসেনসহ মারমা জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

বাগাছাসের ৬৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

 


বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের আংশিক কমিটি ঘোষণার প্রায় দুই মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৬৪ সদস্যের এই কমিটিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাগাছাসের নেতা-কর্মীরা স্থান পেয়েছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বাগাছাস কেন্দ্রীয় সংসদের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে বাগাছাস কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি অনন্য অনিক রেমা ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ন রিছিল স্বাক্ষর করেছেন।

বাগাছাস কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে এক নম্বর সহ-সভাপতি করা হয়েছে অর্ক ডেনিশ ধ্রুব সাংমাকে। এছাড়াও আনসেং দালবৎ, অতি দ্রুত সাংমা, তেনজিং দিব্রা, রনি আজিম, শুমলা রিছিল সহ-সভাপতি হয়েছেন।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে তীর্থ রুরাম, রনি চিরান, মিলিংটন মানখিন, তিথি দিও, শিমন রিছিল ও সহ-সাংগঠনিক হিসেবে রয়েছেন চাংকি চিছাম, অক্ষয় হাগিদক, সান চাম্বুগং, পিতি নকরেক ও বিপ্লব রেমা।

গত বছরের ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ময়মনসিংহের ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ভবন অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক অঞ্জন ম্রং। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন রঞ্জিত নকরেক, শ্যামল মানখিন, লিংকন ডিব্রা ও অনুপ হাদিমা।

আদিবাসী নেতা রবীন্দ্রনাথ সরেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 


জাতীয় আদিবাসী পরিষদের প্রয়াত সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২৪ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বারকোনা গ্রামে নিজ বাসভবনে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

আজ প্রয়াণের দুই বছর পূর্তিতে রবীন্দ্রনাথ সরেনের বন্ধু-স্বজন অধিকারকর্মীরা তাকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছেন। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার দিনাজপুর প্রেসক্লাবে স্বরণ সভার আয়োজন করেছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ।

আদিবাসী অধিকারকর্মী হিরন চাকমা ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘আদিবাসী, কৃষক ও মেহনতি মানুষের নেতা রবীন্দ্রনাথ সরেন এর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তাঁর ত্যাগ এবং নেতৃত্ব আমাদের কাছে সর্বদা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’  

রবীন্দ্রনাথ সরেন কৃষিকাজের পাশাপাশি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৯০ সালে নওগাঁর আঘোর নিয়ামতপুরে প্রথম সিধু-কানু চাঁদ ভৈরব স্মৃতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই অঞ্চলের আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর সংগ্রামগাঁথা তুলে ধরেন। ১৯৯৬ সালে নওগাঁর মহাদেবপুরের নাটশালে তিনিই প্রথম কারাম উৎসব শুরু করেন, যা পরবর্তী সময়ে সব আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে তিনি জাতীয় আদিবাসী পরিষদ গঠন করেন। তিনি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার তেভাগা চত্বরে সিধু–কানুর ম্যুরাল নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২০০১ সালে আলফ্রেড সরেন হত্যার প্রতিবাদে তিনি আন্দোলন করেছিলেন। ফুলবাড়ি কয়লা খনিবিরোধী আন্দোলনে তিনি ভূমিকা রাখেন। আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার ও স্বাধীন ভূমি কমিশন গঠনে তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন।

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন খাগড়াছড়ির দুই আদিবাসী প্রার্থী

 


নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজা। সোমবার দুপুরে বিষয়টি গণমাধ্যমকে দুই প্রার্থী নিশ্চিত করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা জানান, ‘এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় কয়েকজন ভোটারের নম্বর অসম্পূর্ণ থাকায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে কমিশন আমার মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করে। শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নেওয়া খুব কঠিন কাজ। সামান্য ভুলের জন্য নির্বাচন কমিশন আসা অত্যন্ত ভোগান্তির। সময় সামান্য ক্রুটি জেলা নির্বাচন অফিস সমাধান করতে পারে। এটার জন্য ঢাকা পর্যন্ত আসা কষ্টদায়ক। শতাংশ ভোাটারের স্বাক্ষর নেওয়ার বিধান বাতিল করা উচিত বলে মনে করি।

গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজা বলেন, ‘আমার ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত খুব ছোট্ট একটা সমস্যা ছিল। সেটার জন্য আমাকে আপিল করতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আমি জমা দিয়েছি। ইসি আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে।

গত জানুয়ারি শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে জনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এদের মধ্যে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

বাতিল হওয়া বাকি সাত প্রার্থী হলেনবাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী, গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রোয়াজা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. মোস্তাফা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সন্তোষিত চাকমা, লাব্রিচাই মারমা জিরুনা ত্রিপুরা।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র তিন প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ সমর্থক না থাকায় এবং অন্যদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ফলে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর মো. এয়াকুব আলী, জাতীয় পার্টির মিথিলা রোয়াজা, ইসলামী আন্দোলনের মো. কাউসার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. নুর ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির উশোপ্রু মারমার পাশাপাশি মনোনয়ন বৈধ হওয়া দুই প্রার্থীও নির্বাচনী লড়াইয়ে সামিল হবেন।  

আদিবাসী যুব পরিষদের সভাপতি নকুল, সাধারণ সম্পাদক সাবিত্রী

 


আদিবাসী যুব পরিষদের দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নওগাঁ জেলার প্যারিমোহন লাইব্রেরিতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নকুল পাহানের সঞ্চালনায় আলোচনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান।

এসময় জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক খোকন সুইটেন মুরমু, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, পাবনা জেলা কমিটির সভাপতি আশিক বানিয়াস, নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি রঘুনাথ এক্কা, সাধারণ সম্পাদক প্রতাব সিং, নওগাঁ জেলা সভাপতি মার্টিন মুরমু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে নকুল পাহানকে সভাপতি, সাবিত্রী হেমব্রমকে সাধারণ সম্পাদক ও নিপেন চন্দ্র উরাওকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটির মেয়াদ তিন বছর।

কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের ২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

 


গাজীপুরে বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের দুই শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার নৌলাপাড়ার জেসন গেট এলাকায় বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফুল দিয়ে তাদের বিএনপিতে স্বাগত জানান। বাংলাদেশ প্রতিদিন এর খবর। 

আদিবাসী নেতৃবৃন্দের বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের মুসল্লীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রূপচান বর্মণ সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হীড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন রিজভী, ফজলুল হক মুসল্লী, আদিবাসী নেতা অবিনেষ চন্দ্র বর্মণ, নারায়ণ চন্দ্র বর্মণ, সুভাস চন্দ্র বর্মণ, সম্মিলিত আদিবাসী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক দীপক কোচ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, আগামী সরকার যদি বিএনপি গঠন করে, তাহলে বিএনপি সরকারই হবে আপনাদের জন্য নিরাপদ। বিএনপি এমন একটি দল যেখানে সবাই থাকতে পারে। হিন্দু থাকতে পারে, মুসলমান থাকতে পারে, খ্রিষ্টান থাকতে পারে, বৌদ্ধ থাকতে পারে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই থাকতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশী। সবার নিরাপদ আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আমরা চাই একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, একটি মানবিক বাংলাদেশ। যে দেশে আইনের শাসন থাকবে, গণতন্ত্র থাকবে এবং মানুষের সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

 

 

© all rights reserved - Janajatir Kantho